1. admin@bazzrokolom.com : bazzrokolom.com :
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২০, ১০:০৫ পূর্বাহ্ন

শার্শার সাতমাইল হাটে ভারতীয় গরু

  • প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২০
  • ১৭ বার পড়া হয়েছে

ইকরামুল ইসলাম, শার্শা (যশোর)॥ যশোরের শার্শা উপজেলার সাতমাইল পশুহাটে ভারতীয় গরু উঠেছে। কোরবানি ঈদকে সামনে রেখে এক শ্রেণির অসাধু গরু ব্যবসায়ী শার্শার বিভিন্ন সীমান্ত পথ দিয়ে অবৈধভাবে ভারত থেকে গরু নিয়ে আসছে। যে কারণে দেশি গরুর খামারিরা পড়েছেন দুশ্চিন্তায়। তারা গরু বিক্রিতে ন্যায্য মূল্য পাবেন না বলে আশঙ্কা করছেন।
স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে শার্শার সীমান্ত দিয়ে রাতের আঁধারে ভারত থেকে গরু নিয়ে আসছে চোরাকারবারিরা। এ কারণে হাটে পর্যাপ্ত পরিমাণ দেশি গরু উঠলেও ভারতীয় গরুর প্রতি অনেকের আগ্রহ বেশি। গতকাল শনিবার শার্শার সাতমাইল পশুহাটের দক্ষিণ পাশে অনেক ভারতীয় গরু দেখা গেছে। ওই গরু কেনাবেচাও ভালো হয়েছে। সাতমাইল হাটের এ অবস্থা দেখে হতাশ হয়েছেন স্থানীয় খামারিরা। তারা বলছেন, এ বছর অনেকে আগাম কোরবানির গরু কিনছেন। শার্শার বাগআঁচড়া, জামতলা, উলাশী, নাভারণ, বেনাপোল, গোগাসহ বিভিন্ন বাজারে গরুর মাংস ৪ শ’ ২০ টাকা থেকে সাড়ে ৪শ টাকা কেজিদরে বিক্রি হচ্ছে। যা গত বছরের দামের তুলনায় অনেক কম। ফলে এ বছর কোরবানির গরুও বেশ কম দামে বিক্রি হচ্ছে। ক্রেতারা গরু কিনে খুশি হলেও স্থানীয় বিক্রেতারা খুশি হতে পারছেন না। কারণ গরু পালনে খরচের তুলনায় এ বছর লাভ কম হচ্ছে। তাই ভারতীয় গরু আসলে দেশের গরু খামারিরা চরম ক্ষতির সম্মুখীন হবেন। খামারিরা আরও জানান, শার্শা উপজেলায় এ বছর চাহিদার তুলনায় অনেক বেশি গরু খামারে রয়েছে। যা বিক্রির জন্য প্রস্তুত করেছেন খামারিরা। অনেক খরচ করে গরু পালন করে বছর শেষে লাভের আশায় থাকেন তারা। এ জন্য ভারতীয় গরু যাতে আসতে না পারে সে ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহণে প্রশাসনের কঠোর হস্তপে কামনা করেছেন। খামারিরা বলছেন, ঈদের সময় ভারতীয় গরু আসলে দেশি গরু বিক্রি কম হবে। এ জন্য সীমান্ত পথে ভারতীয় গরু প্রবেশ বন্ধ করতে হবে। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে শার্শা উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মাসুমা আখতার বলেন, শার্শা উপজেলায় আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে ৩ হাজার ৬ শ ৪৫ টি ষাঁড়, ৬ শ ২টি বলদ, ২ হাজার ৮ শ ৪১টি ছাগলসহ মোট ৭ হাজার ১শ ৭৮ টি গবাদিপশু কোরবানির জন্য প্রস্তুত রয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় অনেক বেশি। তিনি বলেন, গত ৩ বছর ধরে বাংলাদেশি খামারিদের প্রস্তুতকৃত পশু দিয়েই দেশের কোরবানির চাহিদা মেটানো সম্ভব হয়েছে। তাই তিনি এ বছর ভারতীয় গরু আনার প্রয়োজনীয়তা দেখছেন না।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© স্বর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
এই ওয়েবসাইটের লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

প্রযুক্তি সহায়তায় মাল্টিকেয়ার