1. admin@bazzrokolom.com : bazzrokolom.com :
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২০, ০৪:২৯ অপরাহ্ন

বিপুল ভোটে এমপি হলেন শাহীন চাকলাদার

  • প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২০
  • ৩২ বার পড়া হয়েছে

জাহিদ হাসান ও এস আর সাঈদ: যশোর-৬ কেশবপুর আসনে উৎসবমুখর পরিবেশে উপনির্বাচনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী যশোর জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদার বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন। ঘোষিত ফলাফলে আওয়ামী লীগ প্রার্থী শাহীন চাকলাদার ১ লাখ ২৪ হাজার ৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী আবুল হোসেন আজাদ ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২ হাজার ১২ ভোট। অপর প্রার্থী জাতীয় পার্টির হাবিবুর রহমান লাঙল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১ হাজার ৬৭৮।
কেশবপুর উপজেলা নির্বাচন অফিসার বজলুর রশীদ ভোট গণনা শেষে রাতে বেসরকারিভাবে এই ফলাফল ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, কেশবপুর আসনে মোট ২ লাখ ৩ হাজার ১৮ জন ভোটারের মধ্যে ১ লাখ ২৯ হাজার ৬৭ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। এর মধ্যে বাতিল হয়েছে ১ হাজার ৩৭৪ ভোট। আওয়ামী লীগ প্রার্থী শাহীন চাকলাদার নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ২৪ হাজার ৩ ভোট, বিএনপির প্রার্থী আবুল হোসেন আজাদ ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২ হাজার ১২ ভোট ও জাতীয় পার্টির হাবিবুর রহমান লাঙল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১ হাজার ৬৭৮। নির্বাচনে ভোট পড়েছে ৬৩ দশমিক ৫৭ শতাংশ। শাহীন চাকলাদার বিজয়ের পরে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন, ঐক্যবদ্ধ আওয়ামী লীগের কারণেই এই জয় সম্ভব হয়েছে। এভাবে ঐক্যবদ্ধ থেকে আগামীতেও বিভিন্ন ভোটে আওয়ামী লীগের প্রার্থীকে জয়ী করে শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, কেশবপুরকে একটি মডেল উপজেলা এবং পৌরসভাকে মডেল পৌরসভা করা হবে।
এদিকে, মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলে ভোটগ্রহণ। সকালে ভোটগ্রহণ চলাকালে বিভিন্ন কেন্দ্রে গিয়ে দেখা গেছে, ভোটারদের লম্বালাইন। হ্যান্ড স্যানিটাইজার বা সাবানপানি দিয়ে হাত ধুয়ে মাস্ক পড়ে ফাঁকা ফাঁকা লাইনে দাঁড়িয়ে ভোটাররা ভোট দিয়েছেন। যারা মানতে উদাসীনতার পরিচয় দেন তাদেরকেও দায়িত্বরতরা মানতে বাধ্য করেন। ভোটকেন্দ্র ও নৌকার প্রার্থীর পক্ষ থেকে মাস্ক ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার সরবরাহ করতে দেখা গেছে।

নাগরিক দায়িত্ব পালনের জন্য করোনার ভয় উপেক্ষা করে সকাল সকাল ভোট দিতে এসেছেন সাধারণ ভোটার। সকাল সাড়ে ৯ টায় কেশবপুর সরকারি পাইলট বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে যেয়ে দেখা গেছে ভোটারদের বেশ উপস্থিতি। সবচেয়ে বেশি উপস্থিত ছিলো নারী ভোটার। এই কেন্দ্রের নারী ভোটার সালমা আক্তার জানান, দীর্ঘ ৬ মাস এই আসনে এমপি ছিলেন না। তাই ভোট হওয়াটা খুবই জরুরি ছিলো। করোনা সংক্রমণ উপেক্ষা করেই স্বাস্থ্যবিধি মেনে ভোট দিয়েছি। প্রিজাইডিং অফিসার অজিত মূখার্জী জানান, এই কেন্দ্রে মোট ভোটার ২ হাজার ২৯৪ জন। ভোট শুরুর ঘণ্টাখানেকের মধ্যে শতকরা ১০ ভাগ ভোট কাস্ট হয়েছে। ভোট কেন্দ্রে প্রবেশের আগে ভোটারদের হাতে ও পায়ে জীবাণুনাশক স্প্রে করা হয়। যাদের মুখে মাস্ক নেই তাদের নির্বাচন কমিশন ও নৌকার প্রার্থীর পক্ষ থেকে মাস্ক দিয়ে কেন্দ্রে ঢুকতে দেওয়া হয়।
বেলা সাড়ে ১১ টায় মাগুরডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কেন্দ্রে যেয়ে দেখা গেছে, ভোট কেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি ছিলো স্বাভাবিক। স্বাস্থ্যবিধি মেনে একজন করে কেন্দ্রে ভোট দিয়ে বের হচ্ছেন। এই কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার শ্যামল কুমার চৌধুরী জানান, তার কেন্দ্রের ৩ হাজার ৬০০ ভোটের মধ্যে সকাল ১১ টা পর্যন্ত শতকরা ৩০ ভাগ ভোটার ভোট প্রদান করেছেন। কোন প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি বলে তিনি জানিয়েছেন।
নারায়ণপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার এম এ আলমগীর কবির জানান, তার কেন্দ্রের ৩ হাজার ৬৯০ ভোটারের মধ্যে দুপুর ১২ টা পর্যন্ত ১২শ’ ভোট কাস্ট হয়েছে। এছাড়া ভোটকেন্দ্রে সকল স্বাস্থ্যবিধি মেনেই ভোটগ্রহণ করা হয়েছে বলে তিনি জানান।
মাগুরডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে কথা হয় সালমা খাতুন নামে এক ভোটারের সাথে তিনি বলেন, ভোটকেন্দ্রে আসার পর হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও মাস্ক দেওয়া হয়েছে। হাত জীবাণুমুক্ত করে তিনি ভোট দিয়েছেন। তবে ভোটারদের চাপ থাকায় শারীরিক দূরত্ব ইচ্ছা থাকলেও মানতে পারেননি। বিদ্যানন্দকাঠি কেন্দ্রে ভোটার আব্দুস সামাদ বলেন, কাজ থাকায় সকাল সকাল ভোট দিতে এসেছি। মনে করেছিলাম ভোটার কম থাকবে। কিন্তু ভিড় বেশি হওয়ায় শারীরিক দূরত্ব মানা কঠিন হয়। তবে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়েছেন বলে জানান তিনি।
পাঁজিয়া গ্রামের বাসিন্দা শাহ আলম শেখ নামে এক ভোটার বলেন, বিএনপি ভোটে থাকলে ভালো হতো। ব্যালটে বিএনপির প্রতীক আছে, কিন্তু বাইরে প্রার্থী নেই। ভোটারদের উপস্থিতি সন্তোষজনক।
বিদ্যানন্দকাঠি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার দীলিপ কুমার রায় বলেন, তার কেন্দ্রে ভোটার ১ হাজার ৬৫০। সকাল থেকে ভোটারদের উপস্থিতি ভালো। সকাল সাড়ে ৯টা থেকে ভোটাররা আসতে শুরু করে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ভোটারদের লাইনে দাঁড় করিয়ে ভোট প্রদানের ব্যবস্থা করেছেন।
সাতবাড়িয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের দায়িত্বরত এএসআই শাহিনুর ইসলাম জানান, নির্ধারিত সময়েই শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন শুরু হয়েছে। ভোটকেন্দ্রের বাইরের পরিবেশও ভাল। ভোটারদের কোনও অভিযোগ নেই বলে জানান তিনি। ভোজগাতি নরেন্দ্রপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোটার পরিবহন কাজে নিয়োজিত ভ্যানচালক আজগার হোসেন জানান, সকাল থেকে ভোটার নিয়ে যাওয়া-আসা করছি। কোনো ভোটারই অভিযোগ করেনি যে, জোর করে কোনো প্রার্থীকে ভোট দিতে বলেছে। সবাই উৎসব আনন্দের সাথে কেন্দ্রে এসেছে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে সবাই ভোট দিয়েছে।
ভোগতি নরেন্দ্রপুর কেন্দ্রে ভোটার ও পৌর মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রী ফাতেমা বেগম জানান, সবাই স্বাস্থ্যবিধি মেনে কেন্দ্রে আসছে এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনেই ভোট দিয়েছে। কাউকে জোর কিংবা অনুরোধ করা হয়নি। ভোট প্রসঙ্গে তিনি আরো বলেন, আওয়ামী লীগের সিদ্ধান্তে কেশবপুর আসনের উপনির্বাচনে জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদারকে মনোনয়ন দেওয়ায় কেশবপুর আওয়ামী লীগ একাট্টা হয়েছে। করোনা প্রাদুর্ভাবে নির্বাচন স্থগিত হলে অন্য প্রার্থীদের মাঠে পাওয়া যায়নি। তবে মাঠ ছাড়েননি আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী শাহীন চাকলাদার। নির্বাচিত হওয়ার আগে থেকে তিনি জনগণের বিপদের দিনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিশ্রুতি মোতাবেক সরকারের পাশাপাশি ব্যক্তিগত অর্থে খাদ্য ও সুরক্ষাসামগ্রী বিতরণ অব্যাহত রেখেছেন। সেই কারণে জনগণ নৌকা প্রতীকের প্রার্থীকে ভোট দিচ্ছে।
পাঁজিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আবুল হোসেন নামে এক আনসার সদস্য বলেন, কেন্দ্রে ঢোকার প্রবেশ মুখে জীবাণুনাশক স্প্রে করা হচ্ছে। লাইনে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনেই দাঁড়ানোর নির্দেশনা দিয়েছি। তাছাড়া কেন্দ্রে সাবান ও পানির ব্যবস্থা রয়েছে। ভোটকেন্দ্রে ঢুকতে ও বের হতে সাবান পানি দিয়ে হাত জীবাণুমুক্ত করে ভোট দিয়ে চলে যাচ্ছে। গত দুই বারের জাতীয় নির্বাচনের চেয়ে এবারের উপনির্বাচনে এখানে ভোটারের উপস্থিতি ভালো ছিলো বলে জানান তিনি।
এদিকে ভোটগ্রহণ অবাধ, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিপুল সংখ্যক সদস্য নিয়োজিত ছিলেন। নির্বাচনী এলাকায় দুইজন জুডিসিয়াল ও ১৪ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করেছেন। ছয় প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন ছিলো। ১৮টি মোবাইল টিম ও স্ট্রাইকিং ফোর্সের ছয়টি টিম নির্বাচনের মাঠে সার্বক্ষণিক কাজ করেছে।
ভোটকেন্দ্র পরিদর্শনকালে যশোরের জেলা প্রশাসক তমিজুল ইসলাম খান বলেন, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুসারে স্বাস্থ্যবিধি মেনেই ভোটগ্রহণ করা হয়েছে। উপজেলার কোনো কেন্দ্রে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি বলে তিনি জানান।
এ বিষয়ে জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আশরাফ হোসেন জানান, বিভিন্ন কেন্দ্র ঘুরে দেখেছি আইনশৃঙ্খলার অবস্থা সন্তোষজনক ছিলো। নির্বাচন কমিশনের যে স্বাস্থ্যবিধি মানার কথা বলা হয়েছিলো সেসকল বিধিমালা প্রায় প্রতিটি কেন্দ্রেই মানা হয়েছে। ভোটকেন্দ্রে প্রতিটি ভোটার তাদের স্বাস্থ্যসুরক্ষা মেনেই ভোট দিতে এসেছিলো। জেলা পুলিশ বিভাগের পক্ষ থেকে নির্বাচন সুষ্ঠু করতে যা যা পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ছিলো সেগুলো সুষ্ঠুভাবে পালন করেছে জেলা পুলিশ।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা হুমায়ন কবির বলেন, নির্বাচন উপলক্ষে যশোর -৬ কেশবপুর আসনের সার্বিক পরিস্থিতি আমার নজরে রাখা হয়। করোনা পরিস্থিতির মধ্যেও দেশে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইসির গাইডলাইন অনুসরণ করে এখানকার উপনির্বাচনের ভোট গ্রহণ করেছি।
কেশবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এস এম রুহুল আমীন বলেন, ভোটের প্রচারণায় আমরা বুঝতে পেরেছিলাম; জনগণ নৌকাকে বেঁছে নিবে। মঙ্গলবার সেই ভোট গ্রহণের পরে প্রকাশিত ফলাফলে সেটাই দেখা গেছে। স্থগিত হওয়া নির্বাচন আবার তফসিল ঘোষণার পরেই ফের দলীয় নেতাদের সাথে জরুরি মিটিং করে জনগণের বিপদে করণীয়, ভোট নিয়ে রাত দিন কাজ করেছেন শাহীন চাকলাদার। তিনি আরো বলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের কোন্দলে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে ভাটা পড়েছিলো। কিন্তু শাহীন চাকলাদার প্রার্থী হওয়ার পরে নিজেই উপজেলা আওয়ামী লীগের কর্মী সমর্থকদের কোন্দল মিটিয়ে একাট্টা করে তুলেছেন। দীর্ঘ ৩৫ বছরের রাজনৈতিক জীবনে কেশবপুর আসনে এমপি প্রার্থী হিসেবে তাকে অনন্য মনে করছি। তাকে সাথে নিয়ে জনগণের কাছে গিয়েছি। ভালো সাড়া পেয়ে বিজয়ীও হয়েছি। তাকে সাথে নিয়ে যে কোনো সংকট মোকাবিলায় কেশবপুরবাসীর পাশে থাকবো আমরা।
এ বিষয়ে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী শাহীন চাকলাদার বলেন, দলের দুঃসময়ে জীবনবাজি রেখে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছি। ভূমিকা রেখেছি দলকে সুসংগঠিত করার। কেশবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সকল বিভেদ ভেঙে ঐক্যবদ্ধ করেছি। দলের প্রতি শ্রম ও ত্যাগের মূল্যায়ন হিসেবে আমার হাতে নৌকা প্রতীক তুলে দিয়েছেন জননেত্রী শেখ হাসিনা। নৌকা হলো উন্নয়নের প্রতীক। ১৪ জুলাই ভোটে আমার তথা শেখ হাসিনার নৌকাকেই বেছে নিয়েছে মানুষ। এখন উপজেলাটিকে উন্নত, আধুনিক ও বাসযোগ্য জনপদ হিসেবে গড়ে তুলবো। তিনি আরো বলেন, করোনার দুঃসময়ে বিএনপি জনগণের পাশে ছিলো না। তাই জনগণ তাদেরকে মেনে নেয়নি।
প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি সংসদ সদস্য ও সাবেক জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ইসমাত আরা সাদেকের মৃত্যু হলে আসনটি শূন্য হয়। এরপর বিজ্ঞপ্তি জারি করে উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। ২৯ মার্চ নির্বাচনের তারিখ নির্ধারিত থাকলেও তার এক সপ্তাহ আগে করোনার কারণে ২২ মার্চ ওই নির্বাচন স্থগিত করে নির্বাচন কমিশন। পরে সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কারণে পুনরায় ১৪ জুলাই ভোটের তারিখ ঘোষণা করে ইসি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© স্বর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
এই ওয়েবসাইটের লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

প্রযুক্তি সহায়তায় মাল্টিকেয়ার